আর্ন্তজাতিক ডেস্ক, নেত্রকোণার আলো ডটকম:
ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরুর পর থেকে গত ৬ দিনে লেবাননে ৪৪০ জন হিজবুল্লাহ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৩০ জন গোষ্ঠীটির বিভিন্ন স্তরের কমান্ডার ছিলেন। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি শনিবার (৬ অক্টোবর) জেরুজালেমে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
হাগারি বলেন, “আমরা হিজবুল্লাহর সন্ত্রাসীদের লেবাননের উত্তর দিকে ঠেলে দিচ্ছি। অনেক সন্ত্রাসী এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে এবং বাকিরা আমাদের সেনাবাহিনীর কাছে পরাজিত ও নিহত হয়েছে।” একই দিন, ইসরায়েলের সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হারজি হালেভি বলেন, “প্রতিরক্ষা বাহিনীর লক্ষ্য পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
ইরানের সমর্থনপুষ্ট হিজবুল্লাহ ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ইসরায়েল ধ্বংসের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গোষ্ঠীটির প্রধান ঘাঁটি লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল, যা ইসরায়েলের উত্তর সীমান্তের অপর পাশে অবস্থিত। ৭ অক্টোবর গাজায় হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েলও লেবাননে আক্রমণ চালায়।
গত এক বছরে সংঘর্ষে লেবাননে ২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৫ শতাধিক নারী ও শিশু। ইসরায়েল ২০ সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননে বিমান হামলা শুরু করে, যার ফলে হিজবুল্লাহর প্রধান নেতা হাসান নাসরুল্লাহসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার নিহত হন। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আইডিএফের স্থল বাহিনী লেবাননে অভিযান শুরু করে।
আইডিএফ জানিয়েছে, সীমান্তবর্তী দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোতে সীমিত পরিসরে অভিযান চালানো হচ্ছে, তবে অভিযান কতদিন চলবে সে সম্পর্কে কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।